ডিভাইস কসমেটিক খৎনা কিভাবে করে তা দেখতে নিচের লিংকের ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন।

সারা বিশ্বে জনপ্রিয় ডিভাইস কসমেটিক (মুসলমানী) খৎনার বিশেষত্ব-

  • রক্তপাত হয়না ।
  • সেলাই করতে হয়না ।
  • ব্যান্ডেজ করতে হয়না । যেহেতু সেলাই ব্যান্ডেজ করতে হয়না তাই গ্লেন্ড পেনিস আউটপুট অনেক সুন্দর হয় ।
  • কোনো প্রকার কাটা চিহ্ন থাকে না ।
  • যেহেতু প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ব্যবহার করা হয়, তাই কোনো প্রকার ইনফেকশন হয়না ।
  • যেহেতু ডিভাইস পড়ানো থাকে, স্কুল-মাদরাসা-অফিস বন্ধ (Absence) করার প্রয়োজন নেই ।
  • খৎনার পর লুঙ্গি-গামছা পড়ার প্রয়োজন নাই। স্বাভাবিকভাবে প্যান্ট-পায়জামাই পড়বে।
  • প্রতিদিন গোসল করতে পারবে।
  • এক দিনের শিশু থেকে সকল বয়সে খৎনা করা যায় ।
  • যারা নতুন মুসলমান হয় অথবা অন্য ধর্মের লোক অসুস্থ্যতার কারনে খৎনা করায়, যাদের বয়স ২৫, ৩০, ৪০ বছর ও তার উপরে হয়ে থাকে। তাদের খৎনার পর প্রথম দিন থেকেই স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারে।
  • শীতে ও গরমে খৎনা করলে কোন ক্ষতি নাই।
  • আলহামদুলিল্লাহ আমাদের সেন্টারে সারা বছরই খৎনা করা হয়।
  • খৎনা করানোর পর কোন ড্রেসিং করার প্রয়োজন হয় না।
  • খৎনার পর যদি ঢাকায় থাকার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে ঐ দিনেই বাচ্চাকে নিজস্ব জেলাতে নিয়ে যেতে পারবেন।
  • অবশ করার আগে ব্যথা না হওয়ার জন্য স্প্রে করা হয় এবং পরবর্তীতে জায়গা অবশ করার জন্য লোকাল এনেস্থশিয়া ব্যবহার করা হয়।
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) স্বীকৃত ।
  • ইসলামি শরীয়ত সম্মত ।
  • Alisklamp Method আধুনিক, 100% নিরাপদ, শিশুবান্ধব।
খৎনার উপকারিতা
  1. 1
    খৎনার দ্বারা শরীর অধিক পাকপবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকে।
  2. 2
    খৎনা করালে শিশুদের মূত্রপথের সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, খাবারে অনীহা এবং স্বাস্থ্য ভালো না হওয়া ইত্যাদি রোগ থেকে ঝুকিমুক্ত থাকে।
  3. 3
    লিঙ্গ মনি ও ত্বক আবরণের এর মাঝখানে পনিরের মতো এক ধরনের অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা ( smegma ) জমে। ত্বক টা কেটে ফেললে এই ময়লা জমতে পারে না।
  4. 4
    এই দুর্গন্ধময় ময়লার মধ্যে রোগ জীবাণু বাসা বাঁধে ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং প্রায়ই লিঙ্গ মনির ঘায়ে কষ্ট পেতে হয় । উপরের চামড়া ফেলে দিলে জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়।
  5. 5
    লিঙ্গের মাথায় প্রদাহ, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া করলেও খৎনা করালে তা সেরে যায়।
  6. 6
    লিঙ্গের ক্যান্সার হলে একমাত্র চিকিৎসা । এই মেশিনটা কেটে ফেলা। খৎনা বা মুসলমানী করা লিঙ্গে এ পর্যন্ত ক্যান্সারের আক্রমণ দেখা যায়নি। এর আক্রোশ শুধু খৎনা ছাড়া লিঙ্গের উপর।
  7. 7
    ফাইমোসিস ও প্যারাফাইমোসিস নামে দুটি রোগ হয় খৎনা ছাড়া লিঙ্গে । এই রোগ হলে সুন্নতে খৎনা বা মুসলমানী করে উপরের চামড়া ফেলে দিতে হয়।
  8. 8
    সুন্নতে খৎনা ফলে পুরুষের সঙ্গমের আনন্দ অনেকাংশে বৃদ্ধি পায় ।
  9. 9
    পুরুষাঙ্গের মধ্যের ঐ অংশের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ কমে যায় ।
  10. 10
    প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে খৎনা করালে লিঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ হয় ও যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি কমে। বিভিন্ন যৌনরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে । যেমনঃ পেনাইল ক্যান্সার ।
  11. 11
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রসূত উচ্চমাত্রার এইচ.আই.ভি সংক্রমিত অঞ্চলগুলোতে সম্প্রসারিত এইচ.আই.ভি কর্মশালার অংশ হিসেবে বিবেচনা প্রসূত খৎনার পরামর্শ (Advice) দিয়ে থাকে ।
  12. 12
    হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভির দ্বারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার হার কমাতে এর মূত্রনালি পথের প্রদাহ কমাতে খৎনা সহায়ক ভূমিকা রাখে ।

ডিভাইস কসমেটিক সার্জারি খৎনায় আমরা দিচ্ছি ৮০% ছাড়!

কেন হাজাম দিয়ে খৎনা করাবেন না?

হাজামগণ; কাঠি বা ইন্সট্রোমেন্ট ওয়ান টাইম ব্যবহার করে না। যার কারণে বিভিন্ন ধরনের ছোঁয়াচে রোগ আপনার আদরের সোনামনির হতে পারে । যেমন: হেপাটাইটিস বি, রক্ত দূষণ, বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ ।


আপনাদের একটি প্রশ্ন - কই আগে আমাদের সময় তো কোন সমস্যা হয় নাই?

উত্তর- আপনাদের সময় এত রোগ জীবাণু ভাইরাস ছিল না । আগে তো এক সিরিজ দিয়েই একাধিক রোগীকে ইঞ্জেকশন দেয়া হতো, এখন ওয়ানটাইম সিরিজ এজন্যই ব্যবহার করা হয় যেন রোগ জীবাণু ভাইরাস ছড়িয়ে না যায়।


হাজাম দিয়ে খৎনা করালে আরেকটি বড় ক্ষতির সম্ভাবনা এই যে, তারা সঠিক পরিমাণে কাটতে পারে না । বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পেনিসের চামড়া বড় হয়ে যায় । যার কারণে পরবর্তীতে আবার খৎনা করাতে হয় ।

কিছু দিন আগে দুই জনকে খৎনা করালাম এক জন 31 বছর বয়সে আরেক জন 30 বছয় বয়সে । ছোটবেলায় হাজাম দিয়ে সুন্নাতি খৎনা করিয়েছিলেন কিন্তু খৎনা হয় নাই দ্বিতীয় বার 31 এবং 30 বছর বয়সে আবার খৎনা করালাম । আরো কয়েক জন এসেছিলেন বিভিন্ন বয়সে দ্বিতীয়বার খৎনা করানোর জন্য । উনারা আবার খৎনা করাবেন। তাই সাবধান! কেউ হাজাম দিয়ে খৎনা করাবেন না ।

সার্জিক্যাল ডিভাইস খৎনা

সার্জিক্যাল খৎনার পরবর্তী উন্নত পদ্ধতি হচ্ছে ডিভাইস কসমেটিক খৎনা ।

সার্জিক্যাল খৎনার হলো যা কেটে কেটে করতে হয়। যার নামেই হলো ডি-সেকশান মেথড।


আমি যখন সার্জিক্যাল মেথডে খৎনা করতাম তখন অনেকটা আঁকা বাঁকা থাকত এবং নিচ দিয়ে ঝুলে থাকত, দুই সেলাইয়ের মাঝখানে একটা দাগ থাকত। বিশেষ করে কিছু বাঁচ্চার ক্ষেত্রে মুসলমানির করানোর প্রায় একমাস পর চামড়ার নিচে কিছু গুটির মতো দেখা যেত। এই গুটি গুলো ভিতরে রক্তনালী বন্ধের জন্য যে বিদেশী সুতা দ্বারা গিঁট বা নট দেওয়া হতো সেগুলো না মেশার কারণে হয়ে থাকত।


কারো কারো ভিতরে ইনফেকশান হয়ে সাদা হয়ে যেতো, চাপ দিলে ভিতর থেকে বের হয়ে চলে আসতো। যাদের ইনফেকশান হতো না তাদের গুলো ভিতরে থেকে যেতো। বলা হতো যে, একটু গোল দেখা যাবে কিন্তু কোন অসুবিধা হবে না। তখন থেকেই চিন্তা শুরু হলো কিভাবে উন্নতমানের মুসলমানি করা যায়।


আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে ডিভাইস কসমেটিক খৎনাতে রক্ত বন্ধের জন্য আধুনিক মেশিন ব্যবহার করার কারণে ভিতরে আর গিঁট বা নট দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কাটার পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ার কারণে গুটি থাকে না, আঁকা বাঁকাও থাকে না, কোন দাগও থাকে না। আজকে যে মুসলমানি হয়েছে তা বুঝার কোন উপায় নেই।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন বৎসর বয়সের কম বাচ্চাদের মুসলমানী করা উত্তম।


অনেক বাচ্চার Micro Penis (অতি ছোট পেনিস ), ফাইমুসিস (একবারে চিকন ছিদ্র ও সামনে টাইট চামড়া), প্যারাপাইমোসিস (প্রস্রাবের রাস্তার সুপারির পেছনে চামড়া টাইট হয়ে ফিতার মতো একটি বেন্ড হয়ে যায়। অনেকে এটাকে পয়গম্বরী মুসলমানী বলে। কিন্তু এটা ঠিক না, এটা একটা অসুখের নাম, যদি বেন্ড ভিতরের দিকে বেশি চাপ দেয় তাহলে সুপারিটা ফুলে ছোট বেলুনের মতো হয়ে যায়। পরে অপারেশন করতে হয়। অনেক রোগীর Penis ইনফেকশন হতে হতে প্রস্রাবের রাস্তার ছিদ্রর উপরে একটি ছোট আবরণ পড়ে যায়। এতে প্রস্রাবে বাচ্চার বেশ কষ্ট হয় এবং ফোটা ফোটা প্রসাব হয় ফলে প্রেশার দিয়ে প্রসাব করতে হয় এবং বাচ্চা কান্নকাটি করে। এতে করে বাচ্চার মূত্রথলিতে ইনফেকশন হয় ও কিডনিতে চাপ পড়ে। কিছু কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে দেখা গেছে ইনফেকশন হতে হতে ছিদ্রর আশেপাশে সাদা হয়ে ছাগলের সিনার হাড্ডির মতো শক্ত হয়ে যায়।


তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে খৎনার জন্য কোন সময় সীমা নির্ধারিত নেই। যত আগে খৎনা করা যায় বাচ্চাদের জন্য ততোই উত্তম। মুসলমানী করানোর সাথে শীত, গ্রীষ্মের কোন প্রভাব নেই বরং শীতের চাইতে গরমের সময় বাচ্চারা খোলামেলা থাকতে পারে। আমাদের দেশে একটা প্রচলিত বিশ্বাস চলে আসছে যে, শীতকালে মুসলমানী করতে হয়। মুসলমানী একটা মাইনর অপারেশন। গরমকালে কোন বাচ্চার এপিন্ডিসাইটিস হলে কোন ডাক্তার অথবা অভিভাবক শীতকালের জন্য অপেক্ষা করে না। শীতে ও গরমে শুকানোর একই সময় লাগে।


অনেক বয়স্ক নও মুসলিম, হিন্দু ও খৃষ্টান ভাইদের চিকিৎসার প্রয়োজনে খৎনা করাতে হয়। মানুষ কি বলবে এটা না ভেবে আপনার চিকিৎসার প্রয়োজনে দেরি না করে তাড়াতাড়ি খৎনা করাবেন।


পরিশেষে বলবো, বাচ্চা /শিশু আপনার! খৎনা   শুধু একবারই করাবেন তাই ভালো পদ্ধতি গ্রহন করুন! অভিজ্ঞ প্রশিক্ষিত স্পেশালিষ্ট দিয়েই আপনার সন্তানের খৎনা করাবেন

খৎনার পূর্বে করণীয়

  1. 1
    আপনার প্রিয় সন্তানের বয়স যদি তিন বছরের উপরে হয়ে থাকে তাহলে মুসলমানি করার পূর্বে BT. CT. CBC blood test করালে ভাল হয় এবং Inj. T.Tvax I/M ইনজেকশন দিতে হবে।
  2. 2
    যদি তিন বছরের নিচে হয় তাহলে শুধু BT. CT. CBC blood test করলে ভাল হয়।
  3. 3
    আপনার বয়স যদি ত্রিশ বছরের উপরে হয়ে থাকে তাহলে BT. CT CBC. Blood suger ( F / R ) . ECG. CXR-PAV করলে ভাল হয় এবং inj. T. Tvax I/M দিতে হবে।